অনলাইন বেটিংয়ের দুনিয়ায় সবাই এক রকম খেলে না। কেউ আছেন যারা সপ্তাহে একবার ৳১০০-২০০ টাকার বেট করে মজা নেন, কেউ আবার প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার বাজি ধরে রোমাঞ্চ খোঁজেন। এই দ্বিতীয় দলটির জন্য 36bet তৈরি করেছে একটি বিশেষ বিভাগ — হাই রোলার।
হাই রোলার শব্দটা এসেছে ক্যাসিনো সংস্কৃতি থেকে। যাঁরা বড় চিপ নিয়ে টেবিলে বসেন, যাঁদের জন্য আলাদা রুম আর আলাদা ডিলার থাকে — তাঁরাই হাই রোলার। অনলাইন বেটিংয়েও এই ধারণাটা একইভাবে কাজ করে। 36bet এ হাই রোলার সদস্যরা পান আলাদা সুবিধা, আলাদা মনোযোগ এবং আলাদা পুরস্কার।
কেন 36bet এর হাই রোলার বিভাগ আলাদা?
বাংলাদেশের অনেক বেটিং সাইটেই ভিআইপি বা হাই রোলার নামে একটা ট্যাগ আছে, কিন্তু বাস্তবে সেটা মানে শুধু একটু বেশি ক্যাশব্যাক। 36bet এর ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আলাদা। এখানে হাই রোলার সদস্যদের জন্য আছে ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার, যিনি বাংলায় কথা বলতে পারেন এবং যেকোনো সমস্যায় সরাসরি সাহায্য করতে পারেন।
এছাড়া বেট লিমিট অনেক বেশি — সাধারণ সদস্যরা যেখানে একটা ম্যাচে সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০ বেট করতে পারেন, হাই রোলাররা সেখানে ৳১০ লাখ পর্যন্ত বেট করতে পারেন একটি ইভেন্টে। আর উইথড্রয়ালের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়, মানে আপনার টাকা তোলার রিকোয়েস্ট সবার আগে প্রসেস হয়।
হাই রোলার হতে হলে কি শুধু অনেক টাকা লাগে?
এই প্রশ্নটা অনেকের মাথায় আসে। সত্যি কথা হলো, হাই রোলার হওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা থাকতে হয় না। এটা নির্ভর করে আপনার বেটিং প্যাটার্নের উপরে। যিনি নিয়মিত বড় বেট করেন এবং সেটা দায়িত্বশীলভাবে করেন, তিনিই প্রকৃত হাই রোলার। 36bet এ লয়্যালটি পয়েন্ট জমানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে হাই রোলার স্তরে পৌঁছানো যায়।
তবে হ্যাঁ, হাই রোলার বিভাগে প্রবেশের জন্য একটা ন্যূনতম মাসিক বেটিং ভলিউম আছে। সেটা পূরণ হলে আপনার অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপগ্রেড হয়ে যায় এবং সব সুবিধা আনলক হয়।
বাংলাদেশি বেটরদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি
36bet জানে যে বাংলাদেশের হাই রোলাররা কী চান। তাঁরা চান দ্রুত বিকাশ/নগদ ট্রান্সফার, বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট, স্থানীয় ক্রীড়া ইভেন্টে বড় অডস এবং নিজের গোপনীয়তা বজায় রেখে খেলার সুযোগ। 36bet এর হাই রোলার প্রোগ্রামে এই সবকিছুই নিশ্চিত করা হয়েছে।